২০২০ সালের শুরুর দিকে, যখন বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছিল এবং স্মার্টফোন হয়ে উঠছিল সবার হাতের সঙ্গী, তখন একটি ছোট দল স্বপ্ন দেখছিল ভিন্ন কিছু করার। তারা দেখলেন যে বাংলাদেশের বেটিং ও অনলাইন গেমিং বাজারটা বিশাল, কিন্তু বাংলায় ভালো কোনো প্ল্যাটফর্ম নেই — সবই বিদেশি, সবই কঠিন, সবই ভরোসাহীন। সেই উপলব্ধি থেকেই জন্ম নিল hbaje।
শুরুতে হাতেগোনা কয়েকটি ক্রিকেট বেটিং মার্কেট নিয়ে পথচলা শুরু হয়েছিল। কারণটা সহজ — বাংলাদেশে ক্রিকেট শুধু খেলা নয়, এটা আবেগের নাম। মাশরাফির একটা ওভার, সাকিবের একটা ক্যাচ — পুরো দেশ থমকে যায়। সেই আবেগকে সম্মান জানিয়ে hbaje গড়ে তুলল বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা বেটিং অভিজ্ঞতা।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতার কথায়: "আমরা চেয়েছিলাম এমন একটা জায়গা তৈরি করতে যেখানে বাংলাদেশের মানুষ তাদের নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং নিজের পছন্দের খেলায় নিরাপদে অংশ নিতে পারবেন।"
২০২১ সালে hbaje ফুটবল, কাবাডি ও টেনিস মার্কেট যোগ করল। একই সাথে চালু হলো লাইভ ক্যাসিনো বিভাগ। ব্যবহারকারীর সংখ্যা মাত্র ছয় মাসে দশগুণ বেড়ে গেল। এই বিশাল সাড়ার পেছনে ছিল একটাই কারণ — হবজে বাংলাদেশিদের কথা মাথায় রেখে সব কিছু তৈরি করে। বিকাশে ডিপোজিট, বাংলায় সাপোর্ট, দেশীয় উৎসবে বিশেষ অফার — এসব ছোট ছোট মনোযোগই hbaje-কে আলাদা করে।
২০২২ সালে চালু হলো hbaje অ্যানালিটিক্স বিভাগ — যেখানে খেলোয়াড়রা তথ্য ও পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে বেটিং সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এটা একটা বড় পরিবর্তন ছিল, কারণ এর আগে বাংলাদেশি বেটারদের শুধু অনুমানের উপর নির্ভর করতে হতো। hbaje সেই অনুমানের জায়গায় নিয়ে এলো তথ্য।
২০২৩-২৪ সালে হবজে চালু করল মেগা জ্যাকপট বিভাগ এবং মোবাইল অ্যাপের নতুন সংস্করণ। আজ পর্যন্ত ৫ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য নিয়মিত hbaje ব্যবহার করছেন — ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত। প্রতি মাসে হাজারো নতুন সদস্য যোগ দিচ্ছেন এবং আমাদের পুরোনো সদস্যরা বারবার ফিরে আসছেন — এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।